জন্ম রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রাম জেলায়; বেড়ে ওঠা রংপুর শহরে। বর্তমানে লেখাপড়া এবং কর্মসূত্রে থাকা হয় ঢাকাতে। লেখাপড়া চলমান ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের ইংরেজী বিভাগে, স্নাতক তৃতীয় বর্ষে। ব্যবসা করি বেঁচে থাকার জন্য কিন্তু মূল পছন্দ ভ্রমণ! আজ ঢাকার অফিসে বসে মনযোগ দিয়ে কাজ করছি! হঠাৎ কয়েক ঘন্টা পর দেখলেন আমি কোনো এক দূর্গম পাহাড়ে চলে গিয়েছি, আমার জীবন, পথ-পরিক্রমা এমনই! আমার ওয়েবসাইট ভিসিট এর জন্য ধন্যবাদ। সময় থাকলে বাকি অংশটিও দেখে আসতে পারেন
বর্তমানে ছোট্ট একটি কোম্পানী রান করছি; নাম ‘বিউটিফিয়া কর্পোরেশন’! ৮ জন টিমমেট এর সমন্বয়ে গঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি নেতৃত্ব দিচ্ছি আমি নিজেই। ২০২৫ এর ডিসেম্বর পর্যন্ত আমরা ব্যবসা করছি বাংলাদেশের মোট ২১টি জেলাতে। চীন, থাইল্যান্ড এবং দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আমরা কসমেটিক্স এনে এগুলো সারা বাংলাদেশের ২৩০ এর মতো বিউটি পার্লার, কসমেটিক্স শোরুম, এফ-কমার্স ব্যবসায়ী এবং অন্যান্য খুচরা বিক্রেতাদের সরবরাহ করি
এটি উল্লেখযোগ্য কিছু নয়। তবে খুব সংক্ষিপ্ত করে বলতে গেলে আমার ব্যাক্তিগত লাভের অংশ দিয়ে ছোট্ট কিছু চ্যারিটি করার চেষ্টা করি আমি। তারই অংশ হিসাবে বাংলাদেশের ‘মানসিক সমস্যার সাথে লড়াই করতে থাকা বিভিন্ন মানুষের কিঞ্চিত হলেও সেবা করার জন্য আমি প্রতিষ্ঠা করেছি ‘মাইন্ড জিরো’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং আমার মায়ের নামে করা এই সংগঠনটির উদ্যেশ্য হচ্ছে পিছিয়ে পড়া সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের পাশে দাঁড়ানো। উল্লেখ্য যে কোনো সেবার ক্ষেত্রেই বা কোনো সংগঠনের ক্ষেত্রেই আমরা বাহ্যিকভাবে কোনোরকম অর্থ বা ডোনেশন গ্রহন করি না। একমাত্র আমি এবং আমাদের খান পরিবার এর অর্থায়ন এবং ব্যবস্থাপনাতেই আমরা খুবই ছোট্ট পরিসরে মানবিক কার্যক্রম করার চেষ্টা করি